অতিমাড়ির মেঘে, শারদ উৎসবের রোদ্দুর ছড়িয়ে হয়ে গেল বরানগর ন’পাড়া দাদা-ভাই সংঘের খুঁটি পুজো

বাতাসে এখনো হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইনের বিশ্রী গন্ধ ম্ ম্ করছে, তবু মন যেন পাচ্ছে শিউলি সুবাস, বড় রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন বদলে যেন হয়ে যাচ্ছে আগমনী গান। পাড়ার দোকান ভর্তি স্যানিটাইজার আর মাস্ক, ওষুধের দোকানের লম্বা লাইন, অথচ তার মাঝেই উঁকি দিচ্ছে নতুন পোশাকের হাতছানি। মনে হচ্ছে ‘হাতে আছে তো বেশ খানিক সময়’ সব ঠিক হয়ে যাবে। আর যদি কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে ধার করি, বলতে হয় ‘করোনা থাকুক, বা না থাকুক, পুজো হবেই’। হ্যাঁ, অতিমাড়ির হাত থেকে এখনো বেঁচে থাকা বাঙালির হূদযন্ত্রে অক্সিজেন যোগাতে হতেই হবে। শারোদৎসব তো শুধু কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, শারদোৎসব মানে সাধারন বাঙালির অর্থনীতি শাপল্ হওয়া, মনটাতে বছরের বাকি ৩৬০ দিনের জন্য অফুরান প্রানশক্তি ভরে নেওয়া, সব ভাঙ্গা সম্পর্ক গুলিকে ফের জুড়ে নিয়ে একসাথে চলার কটা দিন। থাকুক নোভেল করোনা, আমরা ভয় পাবো না।সত্যি সত্যিই আমরা যে ভয় তুচ্ছ করেও উৎসবে মাততে প্রস্তুত, প্রস্তুত সমস্ত বিজ্ঞানসম্মত নিয়ম-নীতি মেনে এবার মায়ের আরাধনায় মাততে, তারই নান্দীমুখ এদিন আমরা দেখতে পেলাম বরানগর ন’পাড়া দাদাভাই সংঘের খুঁটি পুজো উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠান ‘আরম্ভিক’-এর মাধ্যমে। পারস্পরিক দূরত্বে খানিক খামতি থাকলেও, যথেষ্ট সাবধানতার সাথে হাতে হাত লাগিয়ে এখানে শারদোৎসবের সূচনা করলেন সাংসদ সৌগত রায়, মন্ত্রী তাপস রায়, পুজোর আয়োজক অঞ্জন পাল প্রমূখ। বাজলো আনন্দ ঢাক, কাঁশর। আর আমাদের দিন গোনা শুরু হলো ‘আর ঠিক কত দিন বাকি’?

https://youtu.be/nt2tEPzuTaw

Covid

Co