প্রেমিকাকে খুন, যাবজ্জীবন প্রেমিকের।

ঘটনার সূত্রপাত ২০১১ সালে।ভালোবাসার মাসুল দিতে প্রেমিকের হাতে মৃত্যু হয় প্রেমিকার। আর আজ প্রায় ১০ বছর পর প্রেমিকাকে খুনে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এর শাস্তি হলো প্রেমিক জাভেদের।
২০১১ সালের ১০ জুন নিজের বাড়ির ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় শিবপুরের ফোরশো রোডের নিতু মিশ্রর ঝুলন্ত দেহ। আপাতদৃষ্টিতে আত্মহত্যার ঘটনা বলে মনে হলেও নিতুর পরিবার চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশকে দেয় তাতে খুনের অভিযোগের তীর ছিল নিতুর প্রেমিক জাভেদের ওপর।
ঘটনার দিন নিতুর চিৎকার শুনে দিদির ঘরে যাওয়ার সময় তার বোন দেখতে পায় জাভেদ ,নিতুর ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।রর তাতেই সন্দেহ হয়। ঘরে গেলে দেখা যায় ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে নিতু। পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছিল, বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রতিবেশী জাভেদের সাথে সম্পর্ক ছিল নিতুর , কিন্তু নিতুর চাকরি করা নিয়ে ঝামেলা বাধে ২জনের।সম্পর্ক প্রায় শেষের দিকে চলে যায়। আর সেই আক্রোশেই এমন কান্ড ঘটিয়েছে জাভেদ, এমনটাই দাবি করেছিল নিতুর পরিবার।
আর ২০২০ এর শেষে অর্থাৎ ঘটনার প্রায় ১০ বছর পর দোষী প্রমাণিত হল প্রেমিক জাভেদ। পুলিশ এবং আদালত স্পষ্টতই জানিয়ে দিয়েছে, প্রেমিকাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছিলো জাভেদ। এদিন হাওড়া জেলা আদালতের বিচারকমন্ডলী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

Covid

Co