জীবনের সাথে সংগ্রামে অকালে পরাজিত হলেও সংগ্রাম ভট্টাচার্য্য বেঁচে থাকবেন অন্য ৬ জন মানুষের দেহে

কবি লিখেছিলেন ‘ জন্মিলে মরিতে হবে জানে তো সবাই, তবু মরণে- মরণে অনেক ফারাক আছে ভাই’। সেই ফারাকটাই সমাজকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গেলেন ভাটপাড়ার সমাজবদলের স্বপ্ন দেখা তরুণ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ সংগ্রাম ভট্টাচার্য্য ও তার পুরো পরিবার। বাইক দুর্ঘটনার পর ব্রেন ডেথ্ হবার পরে সংগ্রামের দেহের প্রত্যঙ্গ দানের সিদ্ধান্ত নেয় ভট্টাচার্য্য পরিবার। পরিবারের সেই সিদ্ধান্তকে কুর্নিশ জানিয়ে সাথে সাথেই এগিয়ে আসে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। জানানো হয়েছে, যে অ্যাপোলো হাসপাতালে সংগ্রামের মৃত্যু হয়েছে সেখানেই দুজন রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হবে একটি কিডনি ও যকৃৎ, একটি কিডনি ও ত্বক প্রতিস্থাপনের জন্য পাঠানো হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে, দু চোখের কর্নিয়া গেছে দিশা চক্ষু হাসপাতালে, আর হৃদযন্ত্রটি প্রতিস্থাপিত হচ্ছে হাওড়ার নারায়না হাসপাতালে ১৭ বছরের এক কিশোরীর শরীরে। সোমবার বিকেলেই রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে গ্রিন করিডোর তৈরি করে প্রত্যঙ্গগুলি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন হাসপাতালে। সংগ্রামের সংগ্রামী প্রত্যঙ্গে বেঁচে থাকার সংগ্রাম শুরু করতে পারবে কত মানুষ,এটা ভেবেই বোধহয় স্যালুট জানাতে হয় সংগ্রাম ও তার পরিবারকে।

https://youtu.be/Rm8q2HfdAYM

Covid

Co