করোনা আবহে সংক্রমণ এড়াতে গঙ্গাসাগর মেলা দেখার আয়োজন করল রাজ্য সরকার

রাতের দিকে ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়তেই চড়ছে পারদ। হালকা ঠান্ডা অনুভব হলেও , তবে ডিসেম্বরের শুরুতে রাজ্যে এখনো যে শীত ইনিংস শুরু করতে পারেনি , তা কিন্তু নতুন করে বলার অবকাশ রাখেনা । অতিমারী বছরে নিউনর্মাল ভাবে আমজনতা জীবন শুরু করলেও , বর্তমানে মেলাতেও যে ভার্চুয়ালি ভাবে তাদের যোগদান করতে হতে পারে তা কিন্তু কল্পনাই করতে পারেনি কেউ। তাও আবার গঙ্গা সাগর মেলায় । গোটা বছরের মত এই বছরের শেষের দিকে যে হারে রাজ্য সহ গোটা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে , সেখানে করোনা আবহে সংক্রমণ এড়াতে পূর্ণার্থীদর জন্য এবার ভার্চুয়ালি গঙ্গা সাগর মেলা দেখার সুযোগ করে দিল রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই মেলার প্রস্তুতি নিয়ে নবান্নে বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত , করোনা আবহে কপিল মুনির আশ্রমে ভিড় না জমিয়েও যাতে পূর্ণার্থীরা কপিলমুনির আশ্রম এর সম্পূর্ণ দর্শন করতে পারেন , তার জন্য ই -অ্যাপ এনেছে রাজ্য সরকার।এই অ্যাপের মাধ্যমে সাগর মেলা ভ্রমণ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা,সাগর মেলার সমস্ত অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে এই অ্যাপ এর মাধ্যমে। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে রেলস্টেশনে থাকবে মেডিক্যাল ক্যাম্প ও সুরক্ষা কেন্দ্র। থাকছে দুটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ও দুটি জল অ্যাম্বুলেন্স, যাতে করে গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া যায়। এর পাশাপাশি প্রত্যেক ভেসেল ঘাটে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তৈরি হচ্ছে স্যানিটাইজার টানেল এবং আম্ফানে যে ত্রিফলা লাইট গুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলোর মেরামতের কাজ চলছে । সাগরদ্বীপ, আউট রাম ঘাট থেকে কাকদ্বীপ, নামখানা পর্যন্ত বাসের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।সিসিটিভি ও ড্রোনের মাধ্যমে কড়া নজরদারি চালাবে প্রশাসন।তবে প্রতিবছর যে লক্ষ লক্ষ মানুষ আসেন এই তীর্থস্থানে , এই নিউনরমালে গঙ্গাসাগর কেমন হবে তা নিয়ে কিছুটা হলেও চিন্তায় রয়েছেন সেখানকার স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তবে ভার্চুয়াল ভাবে গঙ্গাসাগর মেলার আয়োজন করে পূর্ব প্রস্তুতি শুরু করলেও , এই কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে সাগর মেলা রাজ্য সরকারের কাছে খুব বড়ো চ্যালেঞ্জ ।

Covid

Co