মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে পাঠ কমানোয় ক্ষতি আখেরে পড়ুয়াদেরই

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পাঠ্যক্রম পূর্বেই কমিয়ে দিয়েছিল সিবিএসই আইসিএসই বোর্ড। সেই একই পথে হেঁটে গত বুধবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় একটি সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পাঠক্রম থেকে কমানো হবে ৩০% থেকে ৩৫%। তার এই ঘোষণার পরেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেয় কোন বিষয় থেকে কমবে কতটা পাঠ। পাঠ্যক্রম কিছুটা কমে যাওয়ায় আপাতদৃষ্টিতে ছাত্র-ছাত্রীদের কিছুটা সুবিধা হলেও আরো গভীর ফাঁকে পড়ে যাচ্ছে তারা বলে মনে করছেন শিক্ষা শিবিরের একাংশ। এতে পড়ুয়াদের লাভের থেকে বেশি ক্ষতি হচ্ছে বলে তারা মনে করেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৌগত বসু জানান, মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে ভৌতবিজ্ঞানে জৈব রসায়ন, অজৈব রসায়ন, ধাতুবিদ্যার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দেওয়ায় ভবিষ্যতে যারা উচ্চমাধ্যমিক কিংবা উচ্চস্তরে বিজ্ঞান বিভাগ বা রসায়ন নিয়ে পড়াশোনা করবে তারা বিপদের সম্মুখীন হবে। ঠিক একইভাবে জীবন বিজ্ঞানে অভিব্যক্তি, অভিযোজন এবং পরিবেশ অধ্যায় সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে উচ্চস্তরের পড়াশোনার ক্ষেত্রে খুবই অসুবিধায় পড়বে পড়ুয়ারা।
একই কথা বলেছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঝাঁপবেড়িয়া হাই স্কুলের একজন শিক্ষক । তিনি বলেন,মাধ্যমিকের গণিতের পাঠক্রম থেকে সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে ত্রিকোণমিতি ও রাশিবিজ্ঞান অধ্যায়। ত্রিকোণমিতির ক্ষেত্রে ‘কোণ পরিমাপ’,’কোণের মান নির্ণয়’ ও ‘ত্রিকোণমিতিক অনুপাত’ সংক্রান্ত প্রাথমিক ধারণা গুলি না থাকলে যেসব পড়ুয়ারা ভবিষ্যতে বিজ্ঞান নিয়ে পড়বে তারা অথৈ জলে পড়বে। এইরকমই একই ধরনের মত পোষণ করেছেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা।

Covid

Co