গণ শৌচালয় গুলি থেকে করনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও উদাসীন প্রশাসন

https://youtu.be/8s3bzpPuBBc

রাস্তাঘাটে ও বাজারে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য শৌচাগার গুলি থেকেও সংক্রমণ ছড়াচ্ছে দ্রুতগতিতে। কারণ সেখানে কোনো রকম নজরদারি না থাকায় এবং মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি না হওয়ায়, স্বাস্থ নির্দেশিকা না মানায় বিপদ বাড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাজারে নিয়ম ভাঙ্গার প্রতিযোগিতায় নামা মানুষজন শৌচাগার ব্যবহার করছেন ‌ মাস্ক ও স্যানিটাইজার এর নিয়ম না মেনে । বারাসাত শহরের আংশিক লক ডাউন এর সময় শৌচাগার গুলিতে যাওয়া বেপরোয়া মানুষজনের ছবি ই প্রমাণ করে দিচ্ছে স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবনা চিন্তা স্রেফ কাগজ-কলমে সীমাবদ্ধ। তাই এবার দেরিতে হলেও, বিপদের অশনিসংকেত বুঝে, বারাসাত পৌরসভার প্রশাসনিক বোর্ড কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। আংশিক লকডাউন এর মধ্যেই সর্বদলীয় বৈঠক শেষে ‘সেফহোম’ এর পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে, প্রতিটি বাড়ির শৌচাগার গুলিতে বিশেষ লক্ষ্য রাখার কথা জানানো হয়। পাশাপাশি জানিয়ে দেওয়া হয় বারাসত শহরে একটি শৌচাগার বিশিষ্ট পরিবারের কেউ আক্রান্ত হলে তাদের এই সেফ হোমে নিয়ে আসা হবে। কিন্তু বিভিন্ন মার্কেট কমপ্লেক্স থাকা ও সুলভ শৌচাগার গুলিতে বিধি-নিষেধ কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে চলছে অবাধ যাতায়াত। শৌচাগারের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা সতর্ক করলেও তাতে কর্ণপাত করছে না কেউই। সে ক্ষেত্রে শৌচালয় বাড়ানোর কথাও ভাবা হচ্ছে পৌরসভার তরফে

Covid

Co