কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা বদল- জানতই না হাসপাতাল।

সম্প্রতি পেটের যন্ত্রণা নিয়ে হাওড়ার বাগনানের এক বাসিন্দা একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান চিকিৎসা করাতে, কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয় করোনা পরীক্ষা করার পরেই রোগীকে ভর্তি নেওয়া হবে। সেই মত করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করার সময় বলা হয় আধার কার্ড না থাকলে পরীক্ষা হবে না। রোগীর স্বামী ভোটার কার্ড দিলে তাকে বলা হয় ভোটার কার্ডেও হবে না, এদিকে তখন যন্ত্রণায় ছটফট করছেন মহিলাটি।
অন্য এক চিকিৎসক জানান তার পিত্ত নালীতে পাথর জমেছে, শীঘ্রই অস্ত্রপচার দরকার। কিন্তু হাসপাতাল কতৃপক্ষ কোনোভাবেই কোভিড পরীক্ষা করাবেন না আধার কার্ড ছাড়া। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর ঘণ্টা চারেক পর স্থানীয় তৃণমূল নেতার হস্তক্ষেপে কোভিদ পরীক্ষা হয়, ততক্ষনে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গিয়েছে।

প্রতীকী চিত্র


কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রথমদিকের করণা সম্পর্কিত নির্দেশিকায় উল্লেখ ছিল , আধার কার্ড ছাড়া পরীক্ষা করা যাবে না। সেই নির্দেশিকা পড়া সংশোধন করা হয়। বলা হয় অন্য কোন সরকারি পরিচয় পত্র থাকলেও কোভিদ পরীক্ষা করা হবে।
অথচ এদিন এই বেসরকারি হাসপাতালটি যেভাবে জরুরী চিকিৎসার রোগীদের ফিরিয়ে দিচ্ছেন, তাতে প্রশ্ন উঠছে নয়া নির্দেশিকা কতটা কার্যকর হয়েছে তা নিয়ে।

কোভিদ পরীক্ষা


হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করতে তারা বলেন তারা এমন কোন নির্দেশিকার কথা জানতেনই না।
হাসপাতাল সূত্রের খবর, সংশোধিত নির্দেশিকা রয়েছে, তা কর্মীদের জানানো হয়নি। সেই কারণেই কর্মীদের সঙ্গে রোগীর পরিবহনের ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গিয়েছে।
আবার কোন কোন হাসপাতাল সূত্রের দাবি, জরুরী ক্ষেত্রে তারা কোনো পরিচয় পত্র না থাকলেও পরীক্ষা করাচ্ছেন।

Covid

Co