অযোধ্যার রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর আগে আক্রান্ত পুরোহিতই।

গত 24 ঘন্টায় কোভিদ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর নিরিখে ভারত পঞ্চম স্থানে পৌঁছে গিয়েছে।
এর মধ্যেই করণা আক্রান্ত হলেন রাম মন্দিরের পুরোহিত।
আগামী 5 ই আগস্ট দিনটি নির্ধারিত হয়েছে অযোধ্যা রাম মন্দির এর ভূমি পুজো এবং শিলান্যাস এর জন্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং যাবেন শিলান্যাস করতে।
ঠিক তার আগেই মন্দিরের প্রধান পুরোহিত সত্যেন্দ্র দাস এর সহকারি প্রদীপ দাস কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার অযোধ্যা প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রের খবর এরই সঙ্গে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা 15 জন পুলিশ কর্মীও করণা পজিটিভ।
গত শনিবার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গিয়েছিলেন অযোধ্যার প্রস্তুতি দেখতে, সঙ্গে তিনি রামলালার অস্থায়ী মন্দিরে পুজো দেন। তখন যোগীর পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রদীপ। যোগী হোম আইসোলেশন গেছেন কিনা তা নিয়ে কোনো খবর পাওয়া যায়নি।


জুন মাসে আনলক-২ এ মন্দির খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নিয়মাবলী অনুযায়ী ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের কোন মন্দিরে বা জমায়েতে না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এবার প্রশ্ন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বয়স ৬৯ বছর, এছাড়াও অযোধ্যার অনুষ্ঠানে লালকৃষ্ণ আডভানি এবং মুরলী মনোহর যোশীর মত প্রবীনদের থাকার কথা। সরকারি পরামর্শ মানলে এনাদের কারোর অযোধ্যা ভূমি পুজো এবং শিলান্যাসে যাওয়া উচিত।
এই নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধছে যে, পুরোহিত করণা আক্রান্ত এরমধ্যে ঝুঁকি নিয়ে কিভাবে অযোধ্যার অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে? বুধবার আনলক থ্রি’-এর নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে সেখানেও ধর্মীয় সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। স্বাস্থ্য সচিবকে এই প্রশ্ন করা হলে তিনি এর উত্তর এড়িয়ে গিয়েছেন।
এই প্রসঙ্গে শারাদ পাওয়ার, উদ্ভব ঠাকরের মত নেতারা প্রশ্ন তুললেও উত্তরপ্রদেশের বাকি রাজনৈতিক দলের নেতারা নিরব। কারণ তারা জানেন ভূমি পুজো নিয়ে করনা সংক্রমণের আশঙ্কা প্রকাশ করলে বিজেপি তাই নিয়েই হিন্দু ভাবাবেগকে ইস্যু করে পাল্টা রাজনীতি শুরু করবে।
এবার এটাই দেখার, অযোধ্যার ভূমি পুজো নিয়ে বিতর্ক কত দূর এগোয়।

Covid

Co