বছর দশেক বাদে ফের শুরু হলো জুনিয়র মৃধা হত্যা মামলার তদন্ত।

সালটা ২০১১,বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধার থেকে উদ্ধার হয়েছিল বেলঘরিয়ার বাসিন্দা জুনিয়র মৃধার মৃতদেহ।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছিল, সাধারণ একটি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে জুনিয়র। এরপর ঘটনাটির গভীরে প্রবেশ করতেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গুলি করে খুন করা হয়েছে জুনিয়রকে।এরপরেই ঘটনাটির সাথে জড়িয়ে পরে প্রখ্যাত ও প্রথিতযশা ফুটবলকর্তা বলরাম চৌধুরীর নাম। পরিবার এবং পুলিশ তখন জানিয়েছিল, বলরামবাবুর ছোট ছেলের স্ত্রীর সাথে ফেসবুকের মাধ্যমে একটি সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল জুনিয়রের। জুনিয়রের বাড়িতে অবাধ যাতায়াতও ছিল তার। আর এই নিয়েই চৌধুরী বাড়ির অন্দরমহলে ঝামেলা হতো প্রায় প্রতিনিয়তই।
জুনিয়রের পরিবারের অভিযোগ,ঘটনার তদন্ত শুরু হলেও বারংবার তা বন্ধ হয়ে যায় প্রভাবশালী বালারম চৌধুরীর হস্তক্ষেপে। আর এবার ঘটনার প্রায় ১০ বছর পর আবার শুরু হলো তদন্ত।জুনিয়র হত্যা মামলায় সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গেলো সিবিআইকে।চলতি বছরেই ফেব্রুয়ারী মাসে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় মামলার তদন্তভার।আর এদিন বলরাম চৌধুরীর ছোট ছেলের স্ত্রীকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই।
প্রসঙ্গত,বিতর্কিত সেই বলরাম বাবুর পুত্রবধূর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে এবং তিনি এখন অন্যত্র থাকেন। এখন দেখার ১০ বছর পুরোনো ঘটনার তদন্তে কি মোড় আসে ?

Covid

Co