বিয়ের পর নববধূকে নিয়ে কোন দেবস্থানে নয়, আশীর্বাদ নিতে থানায় হাজির বাগনানের অনীশ মাজি

বাগনানের অনীশ মাজি, পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, বিয়ে করেছেন সবেমাত্র একদিন হলো। আর বিয়ের পর নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কোন মন্দিরে গিয়ে দেবতার আশীর্বাদ না নিয়ে বরবধূর গাড়ি সটান ঢুকে পড়ল বাগনান থানায়। সবাইকে অবাক করে দিয়ে নতুন বৌ সঞ্জিতাকে নিয়ে তিনি সোজা ঢুকে গেলেন থানার ভিতরে। না কোন অভিযোগ জানাতে নয়, আশীর্বাদ নিতে। নতুন বর-বউয়ের মতে করোনা অতিমাড়ির সময়কালে রোগ প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেবদেবীদের থেকে অনেক সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে যে মানুষেরা, তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য পুলিশ কর্মীরা। তাই তারা কোন দেবতার মন্দিরে না দিয়ে এসেছেন মানুষের মন্দিরে। আর থানার ভিতরে হঠাৎ করে নবদম্পতির প্রবেশ ঘিরে শোরগোল বেঁধে যায় থানা চত্বরে। পরে ঘরের ভিতরে গিয়ে প্রতিটি পুলিশ কর্মীর হাতে স্যানিটাইজার, মাস্ক ও মিষ্টি তুলে দিয়ে তাদের কাছ থেকে আশীর্বাদ নেন অনীশ ও সঞ্জিতা। সাধারণ মানুষের সাথে পুলিশের সম্পর্কটা এমনই হওয়া দরকার এই সংকট মুহূর্তে কারণ করোনা সংক্রমণের পর আর কেউ না আসুক আক্রান্তের দরজায় ঠিক পৌঁছে যাচ্ছেন পুলিশকর্মীরা। এটা হয়তো তাদের কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে। কিন্তু এই অতিমারিতো আমাদের চোখের সামনে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে কার কতটা কর্তব্যবোধ। অন্তত বনগাঁর ঘটনার পরে তো সেই প্রশ্ন উঠতেই পারে।

Covid

Co