খুব শীঘ্রই গলবে অ্যান্টার্কটিকার সবচেয়ে বড় বরফের চাঙড়, উদ্বিগ্নে বিজ্ঞানীরা।

নব্বইয়ের দশক থেকেই গলতে শুরু করেছে দক্ষিণ মেরু , অ্যান্টার্কটিকার বরফ। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে বিজ্ঞানীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন এই বিষয়ে। গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্ব উষ্ণায়নের রুপ যে কতটা ভয়ানক, তা দেখা যাবে খুব শীঘ্রই।
বিশ্বের তাবর তাবর বিজ্ঞানীরা একটি গবেষণাপত্রে লিখেছেন, বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে খুব শীঘ্রই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বরফের চাঙড় গলতে শুরু করবে। উষ্ণায়নের ফলে বর্তমানে মহাসাগর এবং সমুদ্রের জল স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি গরম হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই গলতে শুরু করেছে অ্যান্টার্কটিকার বরফ।
বিজ্ঞানীরাও আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্রটির দাবি করেছেন, ‘ইস্ট অ্যান্টার্কটিকা আইস শিট’ পুরোপুরি গলে গেলে পৃথিবীর সব কটি মহাসাগর এবং সমুদ্রের জল স্বাভাবিকের তুলনায় ৫৮ মিটারের বেশি উঠে আসবে। ‌ জলের তলায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বহু শহর, পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যাবে বেশকিছু মহাদেশের অংশ।
চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে শেষ ভাগ পর্যন্ত ওই বরফের চাঙড়টির গলন শুরু হবে। ‌ ভারত থেকে শুরু ‌ আমেরিকা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন শহর নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

Covid

Co