করণা সংক্রমণ ঠেকাতে দূরত্ব বৃদ্ধি লাটে দেশজুড়ে, বাড়ছে সংক্রমণের আশঙ্কা

এই প্রতিবেদন শুরুর সময়ে ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সরকারী হিসেব হলো ১৯ লক্ষ ৬৫হাজার ৩৬৪ জন, যা ইতিমধ্যেই বেড়ে গেছে অনেকটা। মৃতের সংখ্যা ৪০ হাজার ছুঁই ছুঁই। এই সংকট মেটাতে রাজবৈদ্যের নিধান ‘পারস্পরিক দূরত্ব বিধি মেনে সংক্রমনের শৃংখল কে ভাঙ্গা’ ,মানে ভিড় এড়িয়ে চলা। পেটের টানে কোথাও কোথাও ভিড় হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সে ভিড় সামলাতে রাজ পেয়াদারা কঠিন শাস্তি দিচ্ছে অবাধ্য প্রজাকে।

ফাইল চিত্র

কিন্তু রাজার যদি ইচ্ছে হয় বিহারে বার হবার, বা বাধ্য প্রজাদের সাথে মিলিত হবার, তাহলে কি মান্য করা চলে? ব্যাটা বাচাল রাজবৈদ্যের অনুপান, মহামন্ত্রী বলে ওঠেন ‘কখনোই না- কখনোই না’, রাজকবিও মাথা নেড়ে সায় দেযন ‘কখনোই না’, সেনাপতিও সেই সুরেই প্যোঁ ধরে। ফলে করোনা উড়িয়ে উপচে পড়ে ভিড়। রাজার আদেশ যে, মান্য করতেই হয়। তার উপরে রয়েছে রাজপুরোহিতের নিদান, মহাযজ্ঞ করতে হবে মানব কল্যানে। ফলে ভিড় ঠেকাতে ব্যর্থ উপ-দেশের জমিদাররাও, রাজা স্বয়ং কদিন আগে মিলিত হয়েছিলেন করোনা আক্রান্ত সেনাপতির সাথে। বৈদ্যের মতে, রাজার থাকা উচিত নিভৃতাবাসে, শাসককুলের কেউ কেউ ছিলেন তার সাথে, তাদেরও ঠিকানা হওয়া দরকার ছিলো নিভৃতাবাসেই, কিন্তু রাজা বলে কথা! তাকে তো আর নিভৃতাবাসে থাকলে চলে না, তাই প্রজাদের মঙ্গলে তিনি ব্যস্ত হলেন পূজা অর্চনায়। আর বাধ্য প্রজারা উদ্বাহু হয়ে মেতে উঠলেন রাজবন্দনায়। শিকেয় সংক্রমণের ঝুঁকি, শিকেয় সব বাধ্যবাধকতা। এবার যদি প্রজাকুল নতুন করে আক্রান্ত হয় নোভেল করোনা ভাইরাসে, দায় নেবেন তো মহারাজ? নাকি হীরক রাজার মতো আমাদের মানে অবাধ্য প্রজাদের পাঠাবেন মগজ ধোলাইয়ের কারখানায়। দেখা যাক কি হয়!

https://youtu.be/nvxZTvtVRss

Covid

Co