“ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে প্রচার ও নির্বাচন প্রক্রিয়া মেনে নেওয়া হবে না”, নির্বাচন কমিশন কে জানিয়ে দিল সিপিএম

সামনেই বিহার বিধানসভা নির্বাচন, সাথে রয়েছে বেশ কিছু উপনির্বাচন। এই অতি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শুধুমাত্র প্রযুক্তিনির্ভর প্রচার এবং ভোটগ্রহণের প্রস্তাবে তীব্র আপত্তি জানালো সিপিআইএম পলিটব্যুরো। ভারতের নির্বাচন কমিশনের চিঠির প্রেক্ষিতে পার্টির পক্ষ থেকে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে ভার্চুয়াল শুধু নয়, প্রচার এবং ভোট গ্রহণে শারীরিক উপস্থিতির সুযোগ প্রসারিত করতে হবে। আগে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাব ছিল ৬৫ বছরের বেশি বয়সের ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের। এই প্রস্তাবে নিরপেক্ষ ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল সমস্ত বিরোধীরাই। শেষ পর্যন্ত পিছু হটে নির্বাচন কমিশন। করনার প্রভাবে দেশের সর্বত্রই সংকট বাড়ছে প্রতিদিন। বিহার তার ব্যতিক্রম নয়, বরং গোটা জুলাই মাস ধরে যথেচ্ছ বেড়েছে সংক্রমণের হার। এই পরিস্থিতিতে মেয়াদ শেষ হবার পর, ভোট করাতে না পারলে বিধানসভা ভেঙে দিতে হবে। কিন্তু বিজেপির জোট সরকার যখন রাজ্যে ক্ষমতাসীন, সেই অবস্থায় প্রশাসনিক ক্ষমতা আসীন থেকেই ভোট করাতে চাইছে বিজেপি, এমন অভিযোগই সিপিআইএমের পলিটব্যুরোর। নির্বাচন কমিশনারের চিঠির উত্তরে জানানো হয়েছে করণা আবহে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মানুষের স্বাস্থ্য এবং জীবন রক্ষা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ, নির্বাচন পরিচালনায় শারীরিক দূরত্ব বিধি মেনে চলবার ওপর কঠোর গুরুত্ব দেবে নির্বাচন কমিশন, পাশাপাশি দলের পক্ষ থেকে এটাও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, নির্বাচনের প্রচার এবং ভোটগ্রহণ হতে হবে মানুষের শারীরিক অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই। এছাড়া মুক্ত ও অবাধ নির্বাচন সম্ভব নয়। সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে অফুরন্ত অর্থের যোগান নেই, যে সমস্ত প্রার্থী আর্থিকভাবে সঙ্গতিহীন, প্রযুক্তিনির্ভর নির্বাচনে অর্থের বলে বলিয়ান প্রার্থীর সাথে প্রচারে পাল্লা দিতে পারবেন না। ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন এটা নিশ্চিত করতে বাধ্য যে, তারা কোন বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দিচ্ছেন না।

https://youtu.be/SUd0XoPlRQc

Covid

Co