জীবনের সিনেমা অসম্পূর্ণ রেখেই নক্ষত্রের দেশে পাড়ি দিলেন পরিচালক দেবীদাস ভট্টাচার্য।

জীবনটা যে সিনেমা নয় তার হাজার হাজার উদাহরণ বাঙালি পেয়েছে বিষময় বিশ সালে। সৌমিত্র চ্যাটার্জী থেকে শুরু করে সন্তু মুখার্জী চলতি বছর বাঙালি এবং বাংলা সিনেমা হারিয়েছে তাদের বহু প্রিয়জনকে, যাদের অভাব সারাজীবনেও পূরণ হবেনা।
টানা ১৫ দিন করোনার সাথে অক্লান্ত লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত জীবনের যুদ্ধে হেরে গেলেন পরিচালক দেবীদাস ভট্টাচার্য।পরিচালক হিসেবে সাজিয়েছেন বহু প্লট,ক্যারেক্টর কিন্তু ‘রিল’ লাইফের প্লট যে নিজের ইচ্ছায় সাজানো যায়না তা প্রমান হলো আরো একবার।
গত ২ ডিসেম্বর থেকে ধুম জ্বর থাকলেও সেটাকে পাত্তা দেননি দেবীদাসবাবু, এরপর করোনা পরীক্ষা করানো হলে তার রিপোর্ট পসিটিভ আসে। এরপরেই ওনাকে ভর্তি করা হয় বাইপাসের ধারের একটি হাসপাতালে, অবস্থার আরও অবনতি হলে ওনাকে স্থানান্তরিত করে নিয়ে যাওয়া হয় দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে। আগেই শারীরিক সমস্যার কারণে বাদ যায় দেবীদাসবাবুর একটি কিডনি, আর কিডনি না থাকার ফলে করোনার সাথে লড়াইয়ে তিনি আর পেরে ওঠেননি।
দেবীদাসবাবুর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে সিনেমামহলে। কলাকুশলী থেকে শুরু করে বহু শিল্পীও শোকপ্রকাশ করেছেন দেবীদাসবাবুর মৃত্যুতে।

Covid

Co