অনিশ্চিত শারদ উৎসবের আগে রক্তদান শিবির আয়োজন বেলঘড়িয়া আদর্শনগর সর্বজনীন দূর্গা পূজা কমিটির

বেলঘড়িয়ার আদর্শনগর সর্বজনীন দুর্গাপূজা কমিটি, গত কয়েক বছর আয়োজনের মাত্রায় স্থান করে নিয়েছে উত্তর শহরতলির অন্যতম সেরা পুজো গুলির মাঝে। কিন্তু এবছর বিধিবাম, বছরের শুরু থেকেই সারা ব্রহ্মাণ্ড থর থর করে কাঁপছে মহিষাসুরের বদলে করণাসুরের দাপটে। অতিমাড়ির এই দাপটে কার্যত দিশেহারা মানব সভ্যতা। যার ফলে ছিন্নভিন্ন আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাপনও। ঘর ছেড়ে বার হওয়া বারণ, বারণ একত্রিত হয়ে কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন। বারণ একারণেই যে যে বিজ্ঞান বলছে করোনা কে হারাতে হলে ভাঙতেই হবে করোনার ছড়িয়ে পড়ার চেইন বা শৃংখলটিকে। আর পুজো মানেই দেদার ভীড়, জমিয়ে আড্ডা, বলতে গেলেই জনসমুদ্র। আশঙ্কা, সেই জনসমুদ্র যদি সৃষ্টি হয়, তাহলে করোনার থেকে মুক্তি পাবার আশা হয়তো আর থাকবেই না বাংলায়। পাশাপাশি আর্থিক মন্দা, বেকারত্ব গ্রাস করেছে আমাদের সমাজকে। সুতরাং পুজোর বাহুল্যের খরচ সামলাবে কে? সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তাতে আর জাঁকজমক করে পুজো করার কোন সুযোগই নেই এবছর। তাতে কিন্তু বিন্দুমাত্র দমে যাবার পাত্র নন বেলঘড়িয়া আদর্শনগর দুর্গাপূজা কমিটি। মাতৃ আরাধনা হবে সামান্য আয়োজনে, কিন্তু তাদের অফুরন্ত ইচ্ছেশক্তির পুরোটাই তারা এবার ব্যবহার করছেন করোনাসুরকে বধ করার লক্ষ্যে। লকডাউন চলাকালীন অবস্থায় ব্যবস্থা করেছিলেন সাধারণ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণের। এবার তারা এগিয়ে এলেন রাজ্যের ব্লাড ব্যাঙ্ক গুলিতে সৃষ্টি হওয়া শূন্যতা পুরণে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করতে। সংগঠনের সম্পাদক সায়ন্তন রায় জানালেন আগামী দিনেও তারা পুজো কমিটির পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কাজ চালিয়ে যাবেন।

https://youtu.be/45800OXN2TA

Covid

Co