“ভাবতে লজ্জা হচ্ছে ওই দলটায় আমি ছিলাম”, দলীয় কর্মসূচি থেকে ফের তৃণমূলের দিকে আঙ্গুল তুললেন শুভেন্দু।

আগের সপ্তাহে শনিবারেই একদা তৃণমূলের কান্ডারি যোগদান করেছিলেন বিজেপিতে। আর তারপর থেকেই বিভিন্ন জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি বারবার তার প্রাক্তন দল তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীদের কটাক্ষ করে চলেছেন। আজ আরএক শনিবার, আজ নবাগতদের নিয়ে দলীয় মিটিং সেরেছে রাজ্য বিজেপি, আর সেই মঞ্চ থেকেই শুভেন্দু রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন জানালেন,মোদির হাতে বাংলাকে তুলে দেওয়ার জন্য। আজ সকালে তিনি পৌঁছেছিলেন হেস্টিংসে,রাজ্য বিজেপির নির্বাচনী দপ্তরে। আর এই হেস্টিংসে পৌঁছনোর পথেই বিক্ষোভের মুখে পড়ে সুনীল মন্ডল, যিনি সদ্য দলবদল করে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। সেই ঘটনা নিয়েও সরব হয়েছেন শুভেন্দু, তিনি বলেন,
➤ শুভেন্দুর ভাবতে লজ্জা লাগছে যে তিনি এতদিন সক্রিয়ভাবে তৃণমূল করতেন, তিনি বারংবার বলেন যে ওনার ভাবতে লজ্জা করছে। এরপর তিনি সমগ্র তৃণমূল দলটির উদ্দেশ্যে বলেন, ওই দলটায় কোনোরকম নিয়ম শৃঙ্খলা নেই,তাছাড়া কোনোরকম অনুশাসনও নেই।
➤ এর পাশাপাশি তিনি বিজেপি সম্পর্কে বলেন, বিজেপি হল একমাত্র প্রকৃত রাজনৈতিক দল ,যারা সত্যিই অব দ্য পিপ্‌ল, ফর দ্য পিপ্‌ল এবং বাই দ্য পিপ্‌ল।
➤ তিনি মঞ্চে উঠে বারংবার রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাকে বাঁচানোর একটিই উপায়,তা হলো বাংলাকে তুলে দিতে হবে নরেন্দ্র মোদির হাতে।তিনি বলেন, রাজ্য বিজেপির একটাই লক্ষ্য, দলকে বিধানসভায় জেতানো।তিনি দিলীপ ঘোষকে সম্মান জানিয়ে বলেন, দিলীপবাবুর নেতৃত্বে দল অনেকটাই এগিয়েছে,এবার সবাইকে একসাথে হাল ধরে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
➤ আগেরদিন নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের কথা বলতে গিয়ে আক্ষেপের সুরে বলেন, রাজ্য সরকারের জন্য পশ্চিমবঙ্গের কৃষকেরা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেনা।সেই প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এর পরে যাতে মোদিজিকে এই বিষয় নিয়ে কোনোরকম আক্ষেপ করতে না হয় তার জন্য দলের সবাই চেষ্টা করছে। তিনি এও বলেন, কেন্দ্রে আর রাজ্যে এক সরকার থাকলে এই সমস্ত অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবেনা।
➤ শুভেন্দু অধিকারী নিজের তৈরী একটি স্লোগান “হরে কৃষ্ণ হরে হরে,পদ্মফুল ঘরে ঘরে” এবং জয় শ্রী রাম স্লোগান দিয়ে তার সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা শেষ করেন।

Covid

Co