বিতর্ক শুরু হিন্দু ও হেয়ার স্কুলে শিক্ষিকা নিয়োগ নিয়ে

সম্প্রতি ঐতিহ্যশালী প্রাচীন হিন্দু ও হেয়ার স্কুলে জীবনবিজ্ঞান বিভাগে দুজন শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু বয়েজ স্কুলে শিক্ষিকা বা গার্লস স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করা রীতিবিরুদ্ধ। তাই হিন্দু ও হেয়ার স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষিকা নিয়োগের সিদ্ধান্তকে আগমন জানালেও, নিয়মভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। নিয়ম অনুসারে,পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে সরকারি স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকার শুন্য পদে নিয়োগ করা হয় এবং সেই নিয়োগ-বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকে পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট পদে মহিলারা আবেদন করতে পারবেন না। একইভাবে মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট পদে পুরুষরাও আবেদন করতে পারবেন না। নিয়োগ-বিজ্ঞপ্তির এই নির্দেশিকার ভিত্তিতেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নিয়মভঙ্গের অভিযোগ জানিয়েছে।এই সমিতির এক সদস্য জানিয়েছেন, দেশজুড়ে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে কেন্দ্রের উদ্যোগে বেশ কিছু বিদ্যালয় তৈরী করা হয়েছে।সেই সব স্কুলগুলির নিয়োগ প্যানেল থেকে এখানে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করা হচ্ছে। তার অভিযোগ, ওই দুই শিক্ষিকাকে পিছিয়ে পড়া এলাকার স্কুলের নিয়োগের প্যানেল থেকে হিন্দু ও হেয়ার স্কুলে নিয়োগ করা হচ্ছে। ফলে পিছিয়ে পড়া এলাকার স্কুলগুলিতে শুন্য পদ শুন্যই থেকে যাচ্ছে। এতে তাদের পঠনপাঠন ব্যাহত হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির দাবি,যদি একান্তই বয়েজ স্কুলে শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয় তাহলে রাজ্যের সমস্ত সরকারি বিদ্যালয়ের সব পদই ‘ওপেন পোস্ট’ করে দেওয়া হোক। তার পাশাপাশি সমস্ত স্কুলগুলিতেই কে-এডুকেশন অর্থাৎ ছাত্র-ছাত্রী উভয়ের জন্যই উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক।

Covid

Co