উৎসবের মরসুমে কেটে গেলে পুরোদস্তুর ভোটের ময়দানে নামতে প্রস্তুত তৃণমূল।

অন্যান্য বছরের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের অফিসে বিজয়া সম্মেলনের আয়োজন করে তৃণমূল কংগ্রেস। নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রার্থীর নিচুতলার কর্মীরা অংশগ্রহণ করতেন এই বিজয় সম্মিলনীতে। আর তাতে খানিকটা ভোট প্রচারও হত‌। কিন্তু চলতি বছরে করণা আবহে জমায়েত – নৈব নৈব চ। সেই কারণে আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে ডিজিটাল মাধ্যম কী প্রচার এর একমাত্র হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে অনেক রাজনৈতিক দলই । আর যেহেতু এখন উৎসবের মরসুম, সদ্য দশমী পার হয়েছে, তাই বহু রাজনৈতিক দলের প্রচার কর্মসূচী হলো ‘বিজয়া সম্মেলনী’। কিন্তু অন্য পথে হাঁটছে তৃণমূল। ভোট কুশলী পিকের পরামর্শে রাজ্য জুড়ে প্রায় ৬০০ টিসভার পরিকল্পনা করছে দলীয় নেতৃত্ব। কালী পূজার পরের উৎসব এর রেশ কেটে গেলে শুরু হবে এই রাজনৈতিক কর্মসূচি ‌। প্রত্যেকটি বিধানসভা কেন্দ্র পিছু অন্তত দুটি করে সভা করা হবে। করোনার কথা মাথায় রেখে, সমস্ত বিধি-নিষেধ মেনেই কর্মসূচি গুলো পালন করা হবে। যদিও এই কর্মসূচির গুলির উপর নজর রাখবে পিকে। ওই কর্মসূচির ছবি এবং ভিডিও দলীয় নেতৃত্বের কাছে পাঠাতে হবে।

Covid

Co