কর্মীবিক্ষোভের জের, বন্ধের মুখে কলকাতা এয়ারপোর্টের ‘গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং’এর কাজ।

কর্মীবিক্ষোভের জের, বন্ধের মুখে কলকাতা এয়ারপোর্টের ‘গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং’এর কাজ।

দীর্ঘ লকডাউনের পর সম্প্রতি কিছুমাস ধরে খুলেছে বিমান পরিষেবা কিন্তু এখনো পর্যন্ত স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি। আর এই অবস্থাতে কর্মী ক্ষোভের মুখে কলকাতা বিমানবন্দর। ঘটনাটির সূত্রপাত কিছুদিন আগে, চলতি বছরেই শেষ হতে চলেছে ‘গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং’-এর কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার মেয়াদ, আর এরপর সেই মেয়াদ নবীকরণ না করে অন্য এক কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে সেই দায়িত্ব, আর বিতর্ক দানা বেঁধেছে এই সংস্থার কিছু নিয়মেই জন্যই।
এতদিন ‘ভদ্র’ নামক একটি সংস্থার অধীনে ছিল কলকাতা বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং এর কাজ, সেখানে প্রায় ৩৮০ জন কর্মী কাজ করছেন, কিন্তু নতুন যে সংস্থাটির হাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা স্পষ্টতই জানিয়ে দিয়েছেন, তারা এতলোককে কাজে নিতে পারবে না। প্রথমে ২০০ জন কর্মী, তারপর দ্বিতীয় দফায় ১০০ জন এবং সবশেষে যদি কাজের চাপ বাড়ে তাহলে বাকিদের কথা ভেবে দেখা হবে। এর পর থেকেই কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যে সমস্ত কর্মীরা প্রথম ২০০ জনের আওতায় পড়েছে তাদের শংসাপত্র চাওয়া হলে তাদের সংগঠন তরফে বলা হয় সবাইকে কাজে না নিলে কেউই শংসাপত্র জমা দেবেনা।
এই পরিপ্রেক্ষিতে কর্মীদের সংগঠন দাবি তুলছে এখনও দেশের পাঁচটি শহর (মুম্বই, চেন্নাই, পুণে, আমদাবাদ ও নাগপুর) থেকে শহরে সরাসরি উড়ানে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেই কাজের চাপ বাড়বে ,আর কাজের চাপ বাড়লেই তারা কর্মী নিতে বাধ্য হবে। এই বিষয়ে অবশ্য কর্মীদের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন কলকাতা বিমানবন্দরের অধিকর্তা কৌশিক ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, তিনি এর সমস্যার সমাধান চাইতে অনুরোধ জানাচ্ছেন ইউনিয়নের নেতাদের।

দীর্ঘ লকডাউনের পর সম্প্রতি কিছুমাস ধরে খুলেছে বিমান পরিষেবা কিন্তু এখনো পর্যন্ত স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি। আর এই অবস্থাতে কর্মী ক্ষোভের মুখে কলকাতা বিমানবন্দর। ঘটনাটির সূত্রপাত কিছুদিন আগে, চলতি বছরেই শেষ হতে চলেছে ‘গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং’-এর কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার মেয়াদ, আর এরপর সেই মেয়াদ নবীকরণ না করে অন্য এক কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে সেই দায়িত্ব, আর বিতর্ক দানা বেঁধেছে এই সংস্থার কিছু নিয়মেই জন্যই।
এতদিন ‘ভদ্র’ নামক একটি সংস্থার অধীনে ছিল কলকাতা বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং এর কাজ, সেখানে প্রায় ৩৮০ জন কর্মী কাজ করছেন, কিন্তু নতুন যে সংস্থাটির হাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা স্পষ্টতই জানিয়ে দিয়েছেন, তারা এতলোককে কাজে নিতে পারবে না। প্রথমে ২০০ জন কর্মী, তারপর দ্বিতীয় দফায় ১০০ জন এবং সবশেষে যদি কাজের চাপ বাড়ে তাহলে বাকিদের কথা ভেবে দেখা হবে। এর পর থেকেই কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যে সমস্ত কর্মীরা প্রথম ২০০ জনের আওতায় পড়েছে তাদের শংসাপত্র চাওয়া হলে তাদের সংগঠন তরফে বলা হয় সবাইকে কাজে না নিলে কেউই শংসাপত্র জমা দেবেনা।
এই পরিপ্রেক্ষিতে কর্মীদের সংগঠন দাবি তুলছে এখনও দেশের পাঁচটি শহর (মুম্বই, চেন্নাই, পুণে, আমদাবাদ ও নাগপুর) থেকে শহরে সরাসরি উড়ানে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেই কাজের চাপ বাড়বে ,আর কাজের চাপ বাড়লেই তারা কর্মী নিতে বাধ্য হবে। এই বিষয়ে অবশ্য কর্মীদের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন কলকাতা বিমানবন্দরের অধিকর্তা কৌশিক ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, তিনি এর সমস্যার সমাধান চাইতে অনুরোধ জানাচ্ছেন ইউনিয়নের নেতাদের।

Covid

Co